• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৩:৩০
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

আশাশুনিতে হা ম লাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

বি এম আলাউদ্দিন, আশাশুনি প্রতিনিধি / ২০১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫

আশাশুনিতে মারপিটে আহত পরিবারকে মামলা না দিতে প্রান নাশের হুমকি দেওয়ার প্রতিবাদে দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আশাশুনি গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিনের ছেলে হামলায় আহত মুরশিদ আলম।

 

তিনি জানান, আমার বড় ভাই খায়রুল আলম সোদকনা গ্রামে বসবাস করে। তার সাথে একই গ্রামের মৃত ইয়াছিন আলীর ছেলে সন্ত্রাসী মেহের আলীর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবৎ জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সালিশী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জমির সীমানায় প্রাচীর নির্মান কাজ চলছিল।

 

এ ঘটনার জের ধরে গত রবিবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় মেহের আলীর নেতৃত্বে তার বাহীনির লোকজন এসে প্রাচীর ভাংচুর করতে থাকে। আমার ভাই বাড়ীতে না থাকায় আমার ভাবী বাঁধা সৃষ্টি করলে তাকে পিটিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে আমি ও আমার ভাই খায়রুল আলম, ভাইপো আসিফ ইকবাল, খোরশেদ আলম, সাকিব, যুবরাজ, ভ্যানচালক আরাফাত হোসেন সেখানে উপস্থিত হলে তাদেরকেও পিটিয়ে ও কুপিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়। এরপর তারা বাড়ীতে ভাংচুর ও লুটপাট করে। তাদের মারপিটে ভ্যানচালক আরাফাত ও মন্টু সহ আমাদের পরিবারের ৯জন আহত হয়।

 

এরমধ্যে গুরুতর আহতাবস্থায় আসিফ ইকবাল, খায়রুল আলম ও আমাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। অন্যান্য আহতদের আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় আশাশুনি থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে এজাহার তুলে নিতে জীবন নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া আমরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সুযোগে তারা প্রতি রাতে আমার বড় ভাইয়ের বাড়ীতে এসে মহিলাদের ভয়ভীতি দেখানো সহ বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান মালামাল চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।

 

তাই এসব সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের জোর দাবী জানিয়ে আইন শৃংখলা বাহীনির আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com