• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:০৩
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

মাছ কাটার শ্রমিক থেকে উদ্যোক্তা: আঁইশে গড়া সম্ভাবনার গল্প

শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া, খুলনা প্রতিনিধি / ১৩৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

একসময় যিনি ছিলেন মাছ কাটার সাধারণ শ্রমিক, আজ তিনি এলাকার উদ্যোক্তা। শুধু নিজের নয়, আশপাশের অনেকের জীবনদৃষ্টিও পাল্টে দিয়েছেন তিনি। বলছি বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার দোহাজারী গ্রামের বৃন্দাবন দাসের কথা—যিনি এখন মাছের আঁইশ প্রক্রিয়াজাত করে আয় করছেন উল্লেখযোগ্য অর্থ এবং লিখছেন সম্ভাবনার নতুন অধ্যায়।

 

প্রকল্পভিত্তিক কাজের সুযোগ নিয়ে বৃন্দাবন দাস যুক্ত হয়েছেন পিকেএসএফ, নবলোক পরিষদ, IFAD ও DANIDA-এর যৌথ অংশীদারিত্বে পরিচালিত আরএমটিপি প্রকল্পে। এই প্রকল্পের সহায়তায় তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ কেজি মাছের আঁইশ সংগ্রহ করছেন এবং খুলনার রূপসা উপজেলার ইলায়পুর বাজারে প্রতি মণ ২,৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

 

 

এতে করে বছরে তাঁর বাড়তি আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার টাকা, যা দিয়ে ইতোমধ্যে মেয়ের বিয়ের খরচ মিটিয়েছেন এবং এখন ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

 

উদ্যোক্তা বৃন্দাবন বলেন, আগে কেবল মাছ কাটতাম, আয় ছিল অল্প। এখন আঁইশ দিয়ে ব্যবসা করি। এই টাকা দিয়েই মেয়ের বিয়ে দিয়েছি, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর পরিকল্পনাও করছি। জীবনে এই পরিবর্তন এনে দিয়েছে আঁইশ আর প্রকল্পের সহায়তা।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com