• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:৪৬
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

দেবহাটায় আকষ্মিক ঘূর্নিঝড়ে বসতঘর ল ন্ডভ ন্ড

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ২৩৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০২৫

দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের সুবর্ণাবাদ গ্রামে মাত্র ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী এক আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে একটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণরুপে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে।

 

শনিবার (২৬ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটার দিকে এ দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা ও ক্ষতিগ্রস্থ বসতঘরের মালিক বীরেন্দ্রনাথ ঢালী জানান, শনিবার ভোররাতের দিকে বৃষ্টির মধ্যে আকষ্মিক ঘূর্নিঝড়ের কবলে পড়ে তার বসতঘরে আঘাত হানলে মুহূর্তেই ঘরের চাল উড়িয়ে নিয়ে যায় এবং ভেতরের সব আসবাবপত্র মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল বাতাস মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই পুরো ঘরটিকে উল্টে-পাল্টে দেয়। তারা আরও জানান, এমন ক্ষতিকর ঘূর্ণিঝড় এত অল্প সময়ের জন্য হলেও স্থানীয়দের আতঙ্কিত করেছে।

 

ক্ষতিগ্রস্ত বিরেন্দ্রনাথ ঢালী বলেন, “আমি কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। ঘর কাঁপতে থাকে, এরপর ধ্বসে পড়ে। সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। এখন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোথায় থাকবো, কিছুই বুঝতে পারছি না”।এই ক্ষয়ক্ষতির পর ঘটনাস্থলে অনেক স্থানীয় মানুষ ছুটে আসেন এবং সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সরকারি সহযোগিতা পৌঁছায়নি বলেও অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি।

 

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তা এবং পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com