• বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:১৮
সর্বশেষ :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’ বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও তৃষ্ণার্তদের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরন খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

প্রায় ৪শত বছরের ঐতিহ্য বনবিবির বটতলা

কে এম রেজাউল করিম, দেবহাটা, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ৮০৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫
Oplus_131072

অপরূপ সৌন্দর্য্যে ভরা দেবহাটা। এমন সুনিবিড়, মায়াভরা শহর আর কোথায় আছে কী? সাতক্ষীরা শহর হতে মাত্র ২৫ কিলোমিটার গেলে দেবহাটা উপজেলা সদর। সেখানে রয়েছে হৃদয় ছোঁয়া ৪শত বছরের এক বট গাছ। “বনবিবি বটতলা” নামে পরিচিত এই ঐতিহাসিক স্থান। প্রায় ৩.৫ একর জমির উপর বিস্তৃর্ণ এই বটতলা। বটগাছের শাখা প্রশাখা থেকে মাটির সাথে শিকড় তৈরি করে এটি বিশাল আকার লাভ করেছে। বহু পুরাতন এই বটতলায় সাধু ও ঋষিদের ধ্যানের স্থান ছিল।

 

এখানে বিভিন্ন দেবদেবীদের পুজা অর্চনা করা হত। হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠান পালিত হত। কথিত আছে কারো মনের মনোষকামনা পুরনের জন্য এখানে এসে বনবিবির স্মরণ করলে এবং তার কাছে চাইলে মনের আশা পূরণ হত।

 

বর্তমানে এখানে আর সাধু ঋষিদের ধ্যান করতে দেখা যায় না, তবে বিনোদনের জন্য অনেক নারী পুরুষ এখানে ভীড় জমায়। উপজেলা পরিষদ থেকে স্থানটি মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবছর এই বটতলায় পহেলা বৈশাখ অনুষ্ঠানটি উৎযাপিত হয়।

 

বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পান্তা ইলিশ খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। স্থানটির চারপাশে এখন বসতি গড়ে উঠেছে। তাই ধীরে ধীরে এই বটতলাটি তার নিজস্ব স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছে। কিন্তু উপজেলার ঐতিহ্যটি সে আজও ধরে রেখেছে।

 

ঐতিহাসিক এই বটতলায় প্রিয় জনকে সাথে নিয়ে অনেক মানুষ আজও বেড়াতে আসে। ছায়া সুনিবিড়, পাখির কুজন মুখরিত, শ্যামনয়নাভিরাম এই স্থানটিতে অবসর দিনের কিছুটা সময় এখানে বসে থাকলে মনের সকল ক্লান্তি দূর হয়ে যায়। মনটা সতেজ হয়ে ওঠে। প্রকৃতিকর অপূর্ব দৃশ্য দেখতে দেখতে সময় কেটে যায়।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের অনুমতি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পেলে এই পর্যটন কেন্দ্রটি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে এবং এখান থেকে উপজেলা পরিষদের একটি রাজস্ব আয়ের সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে। সপ্তাহের ছুটির দিনে মনের ক্লান্তিগুলো দূর করার জন্য এবং প্রকৃতির সবুজ স্পর্শ পাওয়ার জন্য প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে সবুজে ঘেরা পাখির কুজন মুখরিত নয়নাভিরাম এই পর্যটন কেন্দ্রটিতে বসে কিছুটা সময় কাটাতে পারেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com