• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩৩
সর্বশেষ :
বি এন পি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী যথাযথ ভাবে পালনের লক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বি এনপি’র সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত খুলনা সড়কে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একই মোটর সাইকেলে থাকা স্ত্রী, শালী ও ২২ মাসের শিশুকন্যা নিহত সোনাডাঙ্গা থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদকের পিতার আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ২টি ষাঁড় পালনের মধ্য দিয়ে সফল নারী খামারী ফরিদা

জাহাঙ্গীর হোসেন / ২২৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫

একদিকে স্বামীর সংসারের অভাব-অনটন অন্যদিকে নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের দেলপাড়ার ক্যানেলস্থ এলাকার এক নারী উদ্যোক্তা মোছাঃ ফরিদা।

 

স্বামী-সংসারের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে নিজ পায়ে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাত্র ২টি ষাঁড় গরু দিয়ে শুরু করে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠেছেন তিনি। তার এই প্রচেষ্টা দেখে বাড়তি আয়ের আশায় এলাকার অনেকেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন খামারী হতে।

 

ফরিদা একজন ভূমিহীন নারী খামারি; যিনি ২০১৪ সালে আর্থিক লোন নিয়ে দুটি ষাড় দিয়ে ভাড়াকৃত জায়গায় ছোট পরিসরে খামার শুরু করেন । পরবর্তীতে উনি ষাঁড়গুলো বিক্রি করে একটি গাভী এবং একটি বাছুর কেনেন।

 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ থেকে গবাদি পশু লালন পালন বিষয়ের উপর বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।এছাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সুপারিশে তিনি আর্থিক লোন পান। প্রাণিসম্পদ দপ্তর হতে চিকিৎসা, মেডিসিন, ভ্যাকসিন সহায়তা পান।পরবর্তীতে প্রাণিসম্পদ ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)এর আওতায় পিজি সদস্য হিসেবে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, প্রণোদনা,ভ্যাকসিন, মেডিসিন, ছাগলের জন্য পরিবেশ বান্ধব ঘর পান। ধীরে ধীরে উনি আরো কিছু গাভী, ২ টি ছাগল, ১৪ টি ভেড়া, ২টি হাঁস, ২ টি মুরগি কেনেন। বর্তমানে তার খামারে গরু- ১৪টি, ছাগল -১৬টি, ভেড়া -৭২টি,কবুতর -১০টি, দেশি মুরগি -৬০টি, হাঁস -৫১টি। ফরিদা ইয়াসমিন বর্তমানে একজন সফল নারী খামারী। তার বাৎসরিক আয় প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা।

 

প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে উনি অসামান্য অবদান রাখছেন, সমাজে নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ করছেন। উনি সরকারের কাছে একটি জমি লিজ চান যাতে উনার খামারটি আরো বিস্তৃত পরিসরে করতে পারেন এবং আরো অনেকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com