• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৪৪
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

মোরেলগঞ্জে আগুনে পুড়ল দিনমজুরের বসতঘর

প্রতিনিধি: / ৪৫৬ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০২৪

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অগ্নিকান্ডে দিনমজুর আবুল কালাম হাওলাদারের বসতঘর পুড়ে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। দিনমজুর পরিবারটি এখন খোলা আকাশের নিচে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন।
জানাগেছে, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রামে মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে।
মো. আবুল কালাম হাওলাদারের বসতবাড়িতে বৈদ্যুতিক সটসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে।
এ সময় ওই বাড়িতে গৃহমালিক ও স্ত্রী তারা কেউ ঘরে ছিলেন না। প্রতিবন্ধী বড় ছেলে বাবুল হাওলাদার
বসতঘরে ঘুমিয়ে ছিল। আশেপাশের লোকজন আগুন জ্বলতে দেখে ডাকৎচিকার দিলে প্রতিবন্ধী বাবুল ঘর
থেকে বেড়িয়ে আসে। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছানের পূর্বেই স্থানীয় লোকজন পানি দিয়ে
আগুন নিয়ন্ত্রনে নেয়।
আবুল কালাম হাওলাদারের স্ত্রী রেহেনা বেগম বলেন, তার স্বামী মোংলায় দিনমজুরের কাজ করে। সে বাড়িতে
ছিলনা। তিনিও পিতার বাড়িতে ওই সময় ছিলেন। ঘরে প্রতিবন্ধী বড় ছেলে ঘুমিয়ে ছিল।
অগ্নিকান্ডে ঘরে থাকা নগদ টাকা, চাল, ডাল, জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
পুড়ে ৪ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে।
এ ঘটনার পরে সন্ন্যাসী ফাঁড়ি পুলিশ পরিদর্শন করেছেন। স্থানীয় চেয়ারম্যানকেও বিষয়টি
জানিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্থ রেহেনা বেগম কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে আরও বলেন, প্রতিবন্ধীই ছেলেসহ
পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হচ্ছে। মানুষের বাড়ি থেকে দুই এক বেলা খাবার দিচ্ছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com