• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:৪৮
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

পূজা চেরি মাতৃহারা হয়ে স্তব্ধ, দিশেহারা

প্রতিনিধি: / ৩২৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

বিনোদন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। গত রোববার রাজধানীর মাটিকাটা এলাকায় নিজের বাসায় পূজার মা ঝর্ণা রায়ের মৃত্যু হয়। অভিনেত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার ও প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ। মাতৃহারা হয়ে স্তব্ধ, দিশেহারা পূজা। কেননা, অন্য সবার মতো মায়ের কোলে তিনি বেড়ে উঠেছেন। উপরন্তু তার শোবিজ জগতে পথচলার পুরোটাজুড়েই মা ছিলেন পাশে, ছায়ার মতো। সেই ছায়া এবার চিরতরে হারিয়ে গেল। পূজা ফেসবুকে তার মায়ের মৃত্যুর খবর দিয়ে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে অ্যাম্বুলেন্সের ছবি পোস্ট করে নায়িকা লিখেন, ‘এভাবে আমাকে একা করে দিলা মামুনি? এইটা তো কথা ছিল না। তুমি না বলছিলা আমার পাশে সবসময় থাকবা। আমার এখন কী হবে? আমি কাকে আমার সব কথা বলবো মামুনি? কত কথা জমা হয়ে আছে; ভেবেছিলাম তুমি সুস্থ হলে সব কথা গড়গড় করে বলব। কিন্তু এইটা কী হলো?’ পূজা আরও লিখেন, ‘তুমি তোমার এই মেয়ের কথা চিন্তা করলে না? বুকে আটকে থাকা এই কষ্ট নিয়ে কীভাবে আমি সারা জীবন পার করব? বল তুমি? মা, মাগো, পারলে আমাকে মাফ করে দিও মা। একমাত্র তুমি ছিলে, যার সঙ্গে হাসতাম, রাগ হলে চিৎকার করতাম, আবার অন্যের রাগও তোমার ওপর ঝাড়তাম। আহ, তখন কী যে শান্তি লাগত। কিন্তু এখন! মামুনি বলারও কেউ নাই।’ মায়ের শান্তি কামনা করে পূজা লিখেন, ‘নিজেকে এখন সান্ত¡না দিচ্ছি, সবাইকে চলে যেতে হয়। চিন্তা করো না মামুনি, তোমার কাছে একদিন না একদিন আমিও আসব। তোমার পিছু তোমার এই মেয়ে ছাড়বে না, বলে দিলাম। ভালো থেকো মা আমার।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com