• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৪৯
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

নোরা ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন

প্রতিনিধি: / ২৭২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪

বিনোদন: নোরা ফাহেতি ছোট থেকেই হতে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু হয়ে গেলেন ডান্সার। তবে নোরা ফাহেতি একটা সময় বলিউডে পা রেখে বুঝেছিলেন সফরটা এতোটাও সহজ নয়। নাচের প্রস্তাব পাওয়ার পর তাই গ্রহণ করেছিলেন নোরা। ফলে ভারতে গিয়ে কম কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়নি তাকে। একের পর এক কাজের প্রস্তাব পেয়ে তাকে রীতিমত ঠকতে হয়েছে। ভয়ানক পরিস্থিতির শিকারও হতে হয়েছে। জানা যায়, নোরা ফাতেহি প্রথম যখন কাজে এসেছিলেন ৯ জনের সঙ্গে একটি ঘর শেয়ার করে থাকতেন। আর এভাবেই ধীরে ধীরে বলিউডের অন্দরমহলে নিজের জায়গা করে নিতে দেখা যায় তাকে। বিগ বস ৯ সিজনে অংশগ্রহণ করেছিলেন নোরা। প্রিন্স নারুলার সঙ্গে তার রোম্যান্টিক লিঙ্ক আপ আলোচিত হয়েছিল সে সময়। বিগ বসের বাড়িতে তাদের প্রেম শিরোনাম তৈরি করতো। বিগ বসের পর তাকে দেখা যায় বøকবাস্টার ‘বাহুবলী’ ছবির একটি নাচের দৃশ্যে। ক্যারিয়ার শুরু হয় সেই থেকে। প্রথম দিকে অনেক হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন নোরা। ঠিক মতো হিন্দি বলতে পারতেন না অভিনেত্রী। এক সাক্ষাৎকারে নোরা বলেন, ‘হিন্দি শিখতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু অডিশনের সময় ভয়ানক অবস্থা হতো আমার। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতাম না। নিজেকে খুব বোকা বলে মনে হত। কিন্তু কিছু মানুষ তো ক্ষমা করেন না। সামনাসামনি হাসাহাসি করতেন তারা। বলতেন, আমি সার্কাস থেকে এসেছি। খুব অসম্মানজনক বলে মনে হয়েছে আমার। বাড়ি ফেরার সময় কাঁদতাম।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com