• শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৭
সর্বশেষ :
বি এন পি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী যথাযথ ভাবে পালনের লক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন নেত্রী, গণতন্ত্রের মা, বি এনপি’র সাবেক চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার ৮২ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত খুলনা সড়কে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে একই মোটর সাইকেলে থাকা স্ত্রী, শালী ও ২২ মাসের শিশুকন্যা নিহত সোনাডাঙ্গা থানা তাঁতীদলের সাধারণ সম্পাদকের পিতার আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতীদলের খুলনা মহানগরের অন্তর্গত খানজাহান আলী থানার কমিটি গঠন বাজার কমিটির নব-নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কে খুলনা জেলা তাঁতী দলের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন। নারী পাচারকারীর নতুন ফাঁদ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) এর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খুলনা মহানগর তাঁতীদলের উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ” কর্মসূচি অনুষ্ঠিত চুকনগরে অসহনীয় যানজট নিরসন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে সোচ্চার ‘নিরাপদ খুলনা চাই’

পূজা চেরি মাতৃহারা হয়ে স্তব্ধ, দিশেহারা

প্রতিনিধি: / ৩৮৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪

বিনোদন: মা হারালেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা পূজা চেরি। গত রোববার রাজধানীর মাটিকাটা এলাকায় নিজের বাসায় পূজার মা ঝর্ণা রায়ের মৃত্যু হয়। অভিনেত্রীর মায়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন জাজ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার ও প্রতিষ্ঠাতা আবদুল আজিজ। মাতৃহারা হয়ে স্তব্ধ, দিশেহারা পূজা। কেননা, অন্য সবার মতো মায়ের কোলে তিনি বেড়ে উঠেছেন। উপরন্তু তার শোবিজ জগতে পথচলার পুরোটাজুড়েই মা ছিলেন পাশে, ছায়ার মতো। সেই ছায়া এবার চিরতরে হারিয়ে গেল। পূজা ফেসবুকে তার মায়ের মৃত্যুর খবর দিয়ে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন। সোশ্যাল হ্যান্ডেলে অ্যাম্বুলেন্সের ছবি পোস্ট করে নায়িকা লিখেন, ‘এভাবে আমাকে একা করে দিলা মামুনি? এইটা তো কথা ছিল না। তুমি না বলছিলা আমার পাশে সবসময় থাকবা। আমার এখন কী হবে? আমি কাকে আমার সব কথা বলবো মামুনি? কত কথা জমা হয়ে আছে; ভেবেছিলাম তুমি সুস্থ হলে সব কথা গড়গড় করে বলব। কিন্তু এইটা কী হলো?’ পূজা আরও লিখেন, ‘তুমি তোমার এই মেয়ের কথা চিন্তা করলে না? বুকে আটকে থাকা এই কষ্ট নিয়ে কীভাবে আমি সারা জীবন পার করব? বল তুমি? মা, মাগো, পারলে আমাকে মাফ করে দিও মা। একমাত্র তুমি ছিলে, যার সঙ্গে হাসতাম, রাগ হলে চিৎকার করতাম, আবার অন্যের রাগও তোমার ওপর ঝাড়তাম। আহ, তখন কী যে শান্তি লাগত। কিন্তু এখন! মামুনি বলারও কেউ নাই।’ মায়ের শান্তি কামনা করে পূজা লিখেন, ‘নিজেকে এখন সান্ত¡না দিচ্ছি, সবাইকে চলে যেতে হয়। চিন্তা করো না মামুনি, তোমার কাছে একদিন না একদিন আমিও আসব। তোমার পিছু তোমার এই মেয়ে ছাড়বে না, বলে দিলাম। ভালো থেকো মা আমার।’


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com