• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

প্রতিবন্ধী রায়হানের স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা

মোঃ তাজমুল ইসলাম, তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি / ২৩২ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪
প্রতিবন্ধী রায়হানের স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা

হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান রায়হান (২৭) জন্ম থেকেই দুটি হাত ও দুটি পা অচল। হুইল চেয়ার ই তার একমাত্র সঙ্গী, যে হুইল চেয়ারে তার চলাফেরা, সেই হুইল চেয়ারে ই তার ব্যবসা। বিকলাঙ্গ হাত পা নিযয়ে দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষাবৃত্তি না করে স্বনির্ভর হতে চাই রায়হান। তাই জীবন যুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ ফ্লাক্সিলোডের দোকান চালাচ্ছেন প্রতিবন্ধী রায়হান মোড়ল। জীবন যুদ্ধে হার না মানা প্রতিবন্ধী যোদ্ধা রায়হান বিকলাঙ্গ দুটি হাত -পা নিযয়েই ফ্লাক্সিলোডের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

 

সে জানায়, তার আরও একটি জন্ম প্রতিবন্ধী ভাই অর্থের অভাবে বিনা চিকিৎসায় কয়েক বছর আগে মারা গেছে। বিকলাঙ্গ দুটি হাত, দুটি পা নিযয়েই ফ্লাক্সিলোডের ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করার আপ্রাণ চেষ্টা। প্রতিদিন কাক ডাকা ভোর থেকে শুরু করে, রাত পর্যান্ত মাছিয়াড়া বাদাম তলা এলাকায় ভ্রাম্যমাণ দোকান ‌চলতে দেখা যায়। অভাব অনটনের সংসারের চাকা তো আর থেমে থাকে না। কিন্তু সে আর দশজনের মত ভিক্ষা করার পেশা বেছে নেয়নি। সংসারের বোঝা কাঁধে নিয়ে বেছে নিয়েছে ফ্রেক্সিলোডের ব্যবসা করছে‌।

 

সে অশ্রু সজল চোখে বলেন, সংসারের অভাব অনটনের কারনে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারিনা। প্রতিবন্ধি রায়হান আরোও জানায়, আমার বড় লোক হবার স্বপ্ন না, এই ব্যবসা করে দু-বেলা দু’ মুঠো খাবার খেতেপারি ও দিনমজুর বৃদ্ধ বাবা-মাকে একটু সেবা করতে পারি, একটুই চাওয়া। সে কারো সহায়তায় বেঁচে থাকতে চাই না, অন্যের কাছে হাত পাততে সংকোচ লাগে তার।

 

তবে , কেউ যদি চিকিৎসার জন্য বা হুইল চেয়ার দিতে হাত বাড়াতে চাই, সেটা সাদরে গ্রহণ করবে। প্রতিবন্ধী রায়হানের মতো যোদ্ধাদের সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসতে পারেন সমাজের বিত্তবান ও পরোপকারী ব্যক্তিরাও। শারীরিক প্রতিবন্ধী রায়হানের সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসতে পারেন আপনিও।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com