• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৫৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ চলে গেলেন

প্রতিনিধি: / ২৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪

বিনোদন: প্রথিতযশা রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী সাদি মহম্মদ মারা গেছেন। গত ব্ধুবার আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নিয়েছেন। শিল্পীর পারিবারিক বন্ধু নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নিপা সারাবাংলাকে বলেন, ‘ওনার (সাদি মহম্মদ) মা মারা যাওয়ার পর থেকেই এক ধরনের ট্রমার মধ্যে চলে যান। মানসিকভাবে ঠিক স্বাভাবিক ছিলেন না। মা হারানোর বেদনা সম্ভবত তিনি নিতে পারেননি। এভাবেই চলছিল। গত বুধবার রোজা রাখলেন। ইফতারও করলেন। এরপরই তিনি নীরবে না ফেরার দেশে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছি।’ গত বছরের ৮ জুলাই ৯৬ বছর বয়সে সাদি মহম্মদের মা জেবুন্নেছা সলিমউল্লাহর মৃত্যু হয়। জেবুন্নেছা ১৫ বছর ধরে চলনশক্তিহীন ছিলেন, চলাফেরা করতেন হুইল চেয়ারে। সাদি মহম্মদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মায়ের এই শারীরিক অক্ষমতা তাকে পীড়া দিত। মায়ের মৃত্যুর পর তিনি আরও মুষড়ে পড়েন। সাদি মহম্মদের বাবা সলিমউল্লাহ একাত্তরে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। ওই সময় তার মোহাম্মদপুরের বাড়িতে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের যাতায়াত ছিল। সেখানে বৈঠক করতেন তারা। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহরে শহিদ হয়েছিলেন তিনি। তার নামেই মোহাম্মদপুরের সলিমউল্লাহ রোডের নামকরণ করা হয়। সাদি মহম্মদের ভাই শিবলী মহম্মদ বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য নৃত্যশিল্পী। পরিবারের ইচ্ছায় সাদি মহম্মদ বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন। তবে সে পড়ালেখা চালিয়ে যাননি তিনি। ১৯৭৫ সালে বৃত্তি নিয়ে চলে যান শান্তিনিকেতনে। বিশ্বভারতী থেকে রবীন্দ্রসংগীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। সেই থেকেই রবীন্দ্রসংগীত নিয়ে পথচলা শুরু সাদি মহম্মদের। তবে আধুনিক বাংলা গানও করেছেন তিনি। বিভিন্ন নাটক ও সিনেমায় অসংখ্য গানে প্লেব্যাক করেছেন। রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক বাংলা গান মিলিয়ে তার অ্যালবামের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। রবীন্দ্রসংগীতের চর্চা ও প্রসারে সাংস্কৃতিক সংগঠন রবিরাগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন সাদি। পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন সেখানে। এর মধ্যে সুরকার হিসেবে তার আত্মপ্রকাশ ২০০৭ সালে, ‘আমাকে খুঁজে পাবে ভোরের শিশিরে’ অ্যালবামের মাধ্যমে। ২০১২ সালে চ্যানেল আই আজীবন সম্মাননায় ভুষিত করে সাদি মহম্মদকে। রবীন্দ্রসংগীতে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি তাকে ভুষিত করে রবীন্দ্র পুরস্কারে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com