• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

সুন্দরবন উপকূলীয় নদীতে রেনু আহরণ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ অসহায় নারীদের 

এস এম মিজানুর রহমান শ্যামনগর, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি / ১৯৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
রেনু আহরণ করে জীবন জীবিকা নির্বাহ অসহায় নারীদের 

উপকূলীয় মাদার নদী,খোলপেটুয়া নদী,কবোতক্ষ নদী, মালঞ্চ নদী,চুনা নদী ও নাম না জানা অধিকাংশ নদীগুলোতে গরীব অসহায় নারীরা নেটজাল দিয়ে বাগদা  রেনু আহরণ করে তাদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশ নারীরা বাঘ বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, স্বামী ফেলে যাওয়া ও অসহায় নারী।
খোলপেটুয়া নদীতে বাগদা রেনু আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করা গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামের কদবানু জানান, তার ২টা কন্যা সন্তান হওয়ার পর তার স্বামী তাকে রেখে অন্য একটা বিয়ে করে কোথায় চলে গেছে তার আজও কোন খোঁজ পেলেনি, আজ ৭ বছর নদীতে নেট জাল টেনে বাগদার রেণু ধরে তা বিক্রি করে কোন রকমে বেঁচে আছি। মেয়ে ২টা নিয়ে বাবার ভিটায় ঠাই পেয়েছি।
চুনা নদীতে নেটজাল টেনে কোন রকমে জীবিকা নির্বাহ করা বাঘ বিধবা আমেনা খাতুন জানান,বিগত ১০ বছর পূর্বে তার স্বামী সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে নিহত হয়। সেই থেকে নদীতে নেট জাল টেনে ৩টা বাচ্চা নিয়ে কোন রকমে বেঁচে আছি। বর্তমানে একটি ছেলে একটু আয় রোজগার করতে শিখেছে। বর্তমানে দুই বেলা দু মুঠো খেতে পারছি। তবে এখনো নদীতে জালটানা বন্ধ করতে পারেনি।
রমজাননগর ইউনিয়নের দীপ বিশিষ্ট গোলা খালীর পারে বসবাসরত মাধবী রানী জানান, তার স্বামীর একা আয়ে ৫ জনের সংসার চলেনা তাই নদীতে জাল টেনে যে কয় টাকা পাই উহাতে স্বামীর অনেক উপকার আসে। উল্লেখ্য সুন্দরবন পশ্চিম জোন সাতক্ষীরা রেঞ্জের ৪টি স্টেশন বুড়িগোয়ালিনী, কদমতলা, কৈখালী ও কোবাদক থেকে সুন্দরবনের মধ্যে বাগদার রেনু আহরণের পারমিট বন্ধ হওয়ায় বর্তমানে সুন্দরবন উপকূলীয় লোকালয়ে নদীগুলোতে বাগদার রেনু আহরণ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com