• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:২৭
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

বাড়িতে ভুতের মতো সময় পার করেন সাবিত্রী

প্রতিনিধি: / ৩৬০ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

বিনোদন: ভারতীয় বাংলা সিনেমার জীবন্ত কিংবদন্তি অভিনেত্রী সাবিত্রী চ্যাটার্জি। ১৯৫১ সালে উত্তম কুমার অভিনীত ‘সহযাত্রী’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। পরের বছরই ‘পাশের বাড়ি’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যবসায়ীকভাবে সফল হয়। সাবিত্রীর ব্যক্তিগত জীবনে বহুবার প্রেম এসেছে। কাকতালীয়ভাবে প্রত্যেকবারই এমন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন, যে আগে থেকেই বিবাহিত। সবকিছু মিলিয়ে কোনোদিন বিয়ে করা হয়নি সাবিত্রীর। এখন তার বয়স ৮৬। গত একমাস ধরে বাড়ি থেকে বের হননি সাবিত্রী। কারণ শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। জ¦র, কাশি, সর্দিতে ভুগেছেন। তবু সরস্বতী পূজার আয়োজন করেছেন সাবিত্রী। কিন্তু একা একাই এই পূজা করতে হবে তাকে। আক্ষেপের স্বরে সাবিত্রী টিভি নাইনকে বলেন, ‘আমার কেউ নেই, আমাকে একাই সরস্বতী পূজা করতে হবে। এই গোটা বাড়িটায় ভ‚তের মতো থাকি। একা একা সরস্বতী পূজা করব। সরস্বতী পূজা মাটিতে বসে করতে হয়। কিন্তু আমি এখন মাটিতে বসতেই পারি না। তাই চেয়ার-টেবিলে বসে সরস্বতীর পূজা করব, তাতে যদি মা তুষ্ট হন। মনে হয় না আগের মতো আর রুষ্ট হয়ে কাউকে কেড়ে নেবেন, কাড়লে আমাকেই কাড়বেন। তাতে আমার দুঃখ নেই। মুক্তি আছে। এতকাল তো আমাকে আশীর্বাদই করেছেন তিনি। আর এ কারণ এই বয়সেও আপনাদের মনোরঞ্জন করে যেতে পারছি।’ সরস্বতী পূজার দিনে সাবিত্রীর বাবা শশধর চ্যাটার্জি মারা যান। পিতৃতুল্য বোন জামাইকেও হারিয়েছেন এই সরস্বতী পূজার দিনে। এ বিষয়ে সাবিত্রী বলেন, ‘আমার বাবা, জামাইবাবু, সবাইকে কেড়ে নিয়েছে মা সরস্বতী। তাই তার প্রতি অভিমানে অনেক বছর পূজা করিনি। গত ৩-৪ বছর ধরে আবারো পূজা করছি।’ সংসার না করা নিয়ে আফসোস নেই সাবিত্রীর। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘সংসার করিনি তার জন্য কোনো আফসোস নেই। কারণ আমার দিদির ছেলেপুলেদের মানুষ করেছি। এখনো হয়ত তাদের ডাকলেই তারা আসবে, তবে সবারই তো সংসার আছে। এত বড় বাড়িতে তো কথা বলারও সঙ্গী চাই। তাই একা লাগে।’

 


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com