• রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১১:৫১
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

নামাজ রত অবস্থায় হাই এলে করণীয়

প্রতিনিধি: / ৩৬২ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

ধর্ম: নামাজে অনেকের প্রায় হাই আসে। কারও কারও আবার ঢেকুরও আসে। এখন জানার বিষয় হলো- নামাজে হাই উঠলে অথবা ঢেকুর এলে নামাজের কি কোনো অসুবিধা হয়? এর উত্তর হলো, নামাজের মধ্যে হাই তোলা বা ঢেকুর দেওয়া যদি মুসল্লি ইচ্ছাকৃত না করে থাকে; তাহলে নামাজের কোনো ক্ষতি হবে না, নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে। অনিচ্ছাকৃত ঢেকুর এলে তো আসলে কিছু করার নেই। তবে অনিচ্ছাকৃত হাই এলে হাদিসে তার ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘যদি তোমাদের কারও নামাজের মধ্যে হাই আসে, তাহলে তা যথাসম্ভব প্রতিহত করো। কেননা, না হয় এতে শয়তান ঢুকে পড়ে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২২৯৩) শয়তান ঢুকে যাওয়া দ্বারা উদেশ্য হলো, মানুষের মাঝে অলসতা এসে যায়। ক্লান্তিভাব অনুভ‚ত হয় ও কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই হাই এলে প্রতিহত করতে হবে। সর্বস্থায় বাম হাতের পিঠ দ্বারা প্রতিহত করবে। তবে নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় হাই এলে, ডান হাতের পিঠ দ্বারা মুখ বন্ধ করে ফেলবে। নামাজে ডান হাতে প্রতিহত করার কারণ হলো, এখানে বাম হাত দ্বারা করতে গেলে প্রথমে ডান হাতকে সরাতে হবে, এরপর বাম হাত দ্বারা মুখ বন্ধ করতে হবে। পুনরায় আবার ডান হাতকে সরিয়ে বাম হাত আগের জায়গায় বসাতে হবে। এতে আমলে কাসির হয়ে যেতে পারে। সেই কারণে শুধু নামাজে দাঁড়ানো অবস্থায় ডান হাত দ্বারা মুখ বন্ধ করবে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com