• সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১২:১৬
সর্বশেষ :
খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে মরহুম সোনা মিয়ার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান আন্তর্জাতিক মে দিবস উপলক্ষে খালিশপুর থানা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও শ্রমিক সমাবেশ। আবারো তীব্র বজ্রপাত সহ ভারী বর্ষনের সতর্কতা!! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল খালিশপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি সোনা মিয়া সরদার এর খুনীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে খালিশপুর থানা তাঁতী দলের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত নগরীর ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদারের কবর জিয়ারত ও মরহুমের পরিবারের সার্বিক খোঁজ খবর ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে খুলনা মহানগর ও জেলা তাঁতীদলের নেতৃবৃন্দ খালিশপুর থানা তাঁতীদলের উদ্যোগে ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতী দল সভাপতি মরহুম সোনা মিয়া সরদার এর আত্মার মাগফিরাত কামনায় খালিশপুর চিত্রালী মার্কেট বাজার জামে মসজিদে বাদ জুম্মা দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয় ১০ নং ওয়ার্ড তাঁতীদলের সভাপতি সোনা মিয়া সরদারকে হত্যার প্রতিবাদে কর্মসূচী গ্রহনের লক্ষ্যে খালিশপুর থানা তাঁতীদলের প্রস্তুতি সভা শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ‘পোস্টারে আমার ছবি নয়’ – সদস্য সচিব রুবেল। এপ্রিলে সাঁড়াশি অভিযান, প্রস্তুত অপরাধীদের তালিকা! দালাল নির্ভরতা কমাতে না পারলে রাজনৈতিক ঝুঁকি বাড়বে”—রুবেলের সতর্কবার্তা

জলদস্যুদের কবল থেকে জাহাজ উদ্ধার করল ভারতের নৌসেনারা

প্রতিনিধি: / ২৭৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: রবিবার, ১৭ মার্চ, ২০২৪

বিদেশ : চল্লিশ ঘণ্টার এক দুঃসাহসী অভিযানে ভারতীয় নৌবাহিনীর সদস্যরা ৩৫ জন সোমালি জলদস্যুকে আটকের পাশাপাশি একটি ছিনতাই হয়ে যাওয়া জাহাজের ১৭ জন নাবিককে উদ্ধার করেছে। ভারতীয় নৌবাহিনী এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর এনডিটিভির। জানা গেছে, ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কলকাতা সাগরে পথে দুই হাজার ৬০০ কিলোমিটার দূরে একটি পণ্যবাহী জাহাজ রুয়েন-কে কোণঠাসা করতে সমর্থ হয়। ওই জাহাজটি জলদস্যুরা গত ১৪ ডিসেম্বর ছিনতাই করেছিল এবং সেটিকে অন্যান্য ছিনতাই কাজে গত তিন মাস ধরে ব্যবহার করে আসছিল। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে মেরিন কমান্ডোরা কয়েকটি জাহাজ, ড্রোন এবং এয়ারক্রাফটও ব্যবহার করে। ভারতীয় এয়ারক্রাফটটি যখন ছিনতাই হয়ে যাওয়া জাহাজের কাছাকাছি পৌঁছায় তখন সেটিকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে জলদস্যুরা। এছাড়া ছিনতাই হয়ে যাওয়া জাহাজের পথ আগলে দাঁড়ালে নৌ বাহিনীর একটি জাহাজে আক্রমণও চালায় জলদস্যুরা। শুক্রবার হামলার শিকার হওয়ার পরও ভারতীয় নৌবাহিনী ওই জাহাজটি থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থান নেয় এবং জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ ও জিম্মিদের মুক্ত করে দিতে বলে। শনিবার একটি টহল এয়ারক্রাফট ও ড্রোনের সহায়তায় এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস সুভদ্রর সহযোগিতায় জলদস্যুদের জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ভারতীয় নৌসেনারা। এই কাজে মেরিন কমান্ডোর আট সদস্যের একটি স্কোয়াড বিমান থেকে জাহাজে নেমে আসে এবং জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করে ও নাবিকদের মুক্ত করে।


এই বিভাগের আরো খবর
https://www.kaabait.com